সিঙ্গাপুর গেছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া

সিঙ্গাপুর গেছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে গেছেন। মঙ্গলবার একটি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ জুন তিনি দেশে ফিরবেন। 

সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির খোঁজ মেলা নিয়ে আলোচনা থামতে না থামতেই এবার শুরু হয়েছে আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারকে নিয়ে।

দৈনিক মানবজমিন ও পরে দৈনিক প্রথম আলোতে তার পরিবারের সম্পত্তির বিষয়ে নানা তথ্য ছাপা হয়। এতে লেখা হয়, "বাড়ির পর বাড়ি। জমি এবং ফ্ল্যাটের সারি। কী নেই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান মিয়ার। রীতিমতো গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। তবে শুধু নিজের নামে নয়। স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ের নামেও বিপুল সম্পত্তি গড়েছেন ডিএমপির সাবেক এই কমিশনার।"

পরে প্রথম আলো গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের তথ্য তুলে ধরে লিখেছে, পুলিশের সাবেক এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্ত্রীর নামে ঢাকায় একটি বাড়ি ও দুটি ফ্ল্যাট এবং মেয়ের নামে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে ৬৭ শতক জমি রয়েছে। এই তিন জেলায় তার পরিবারের সদস্যদের নামে রয়েছে আরও ১৬৬ শতক জমি।

প্রথম আলো সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যও ছেপেছে। সেখানে দাবি করেছেন, তিনি উত্তরাধিকার সূত্রেই বিপুল সম্পত্তির মালিক। তার স্ত্রী, কন্যা, জামাতাও ভালো আয় করেন।

আছাদুজ্জামান মিয়া পুলিশে যোগদানের পর সুনামগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম ও সৈয়দপুরে রেলওয়ে পুলিশ সুপার ছিলেন।

বগুড়ায় প্রথম আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সিও, নোয়াখালীর পুলিশ প্রশিক্ষণ সেন্টার, খুলনা, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও হাইওয়ে রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি ডিএমপি কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।

সিভিল সার্ভিস ক্যাডারের ৮৫ ব্যাচের পুলিশ কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে যান। পরে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেয় সরকার।

২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তার নিয়োগের ৩ বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। আছাদুজ্জামান মিয়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩৩তম কমিশনার ছিলেন।