অবৈধ মানবপাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি গ্রেফতার

অবৈধ মানবপাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি গ্রেফতার

মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ মিলন মিয়া নামের এক বাংলাদেশিকে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হুস্টনের জর্জ বুশ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি রাইয়ান কে পেট্রিক গ্রেফতারের এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে ইউএস ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট।

ইউএস ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট, মেক্সিকোর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এন্ড ইনভেশটিগেশনস, হোস্টন এন্ড কেলিক্সিকো, ইউএস কাস্টমস এন্ড বর্ডার পেট্রােল এবং ইউএস মার্শাল সার্ভিস যৌথভাবে এ মামলাটির তদন্ত করবে।

৩১ আগস্ট মিলনকে গ্রেফতার করা হলেও বুধবার তার বিরুদ্ধে আনীত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, মিলন মেক্সিকোর তাপাচুলাতে একটি হোটেল পরিচালনা করত। এই হোটেলেই সে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দিত। সে তাদের উত্তর মেক্সিকোর একটি স্থানের বিমান টিকিট সরবরাহ করত এবং সেখানে গিয়ে অভিবাসীরা অন্য পাচারকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করত, যারা তাদের যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে পাঠাত। ২০১৭ সালের মার্চ মাস থেকে ২০১৮ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত টেক্সাস এবং মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে ১৫ বাংলাদেশিকে অর্থের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র পাচার করেছে মিলন।

গত সপ্তাহে মানবপাচার চক্রে জড়িত অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া মিলনের আরেক সহযোগি মোখতার হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

সান অ্যান্তোনিওতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা স্পেশাল এজেন্ট শ্যেন ফল্ডেন বলেন, "মিলন মিয়ার আটকের মধ্য দিয়ে জাতীয় এবং জননিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। যে সমস্ত অপরাধ চক্র যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তাদের বিষয়ে সজাগ এবং তৎপর রয়েছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি।"

জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের অ্যাসিসটেন্ট অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রায়ান বেনজোকভস্কি বলেন, "নিজেদের লোভের জন্য যারা আমাদের অভিবাসী আইন লংঘন করছে এই গ্রেফতার তাদের প্রতি জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের শক্তিশালী বার্তা। মানবপাচার চক্র যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।"

৩১ আগস্ট মিলন মিয়াকে ডিস্ট্রিক্ট জাজ ডেনা এইচ পালমেরোর আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাকে লারেডোতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন ফৌজদারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য।

জিএস/