মিয়ানমারের কাছে সরকার নতি স্বীকার করেছে: মির্জা আলমগীর

মিয়ানমারের কাছে সরকার নতি স্বীকার করেছে: মির্জা আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসেছে দুই বছর হলো। কিন্তু এখনও একজন রোহিঙ্গাকে সেখানে পাঠাতে পারেনি সরকার। তারা মিয়ানমারের কাছে সম্পূর্ণ নতি স্বীকার করেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা আলমগীর বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আমরা শুরুতেই বলেছি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য। কিন্তু এই সরকার এতে কোন সাড়া দেয়নি। দুই বছর পরে এসে একজন রোহিঙ্গাকেও তারা ফেরত পাঠাতে পারেনি। মূলত এই সরকার মিয়ানমারের কথা মতো কাজ করছে এবং তাদের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করছে। মোটকথা মিয়ানমারের ইচ্ছাগুলো এই সরকার বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরো বলেন, ২১শে আগস্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং কিছু পত্রিকা তারেক রহমানকে নিয়ে যেসব কথা বলছে এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা এখনো বলছি ২১শে আগস্টের ঘটনা দেশের জন্য একটি নিকৃষ্ট ঘটনা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

মির্জা আলমগীর আরো বলেন, সম্প্রতি সরকারের একজন মন্ত্রী বলেছেন ২১শে আগস্টের ঘটনার পর তৎকালীন বিএনপি সরকার কোন উদ্যোগ নেয়নি। ওনার একথা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ওই সময় এই ঘটনা নিয়ে কাজ করার জন্য দুটি বিদেশি সংস্থা আসলে আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করলেও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোন আগ্রহ দেখানো হয়নি।

আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনে র‌্যালি করার কথা থাকলেও এটা হবে পরের দিন। আর ২রা সেপ্টেম্বরের আলোচনা হবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিন বিকাল তিনটায়। এছাড়া বেগম খালেদা জিয়া সুস্থতা এবং তার জামিনের বিষয়েও আলোচনা হয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এমআই