জিয়াউর রহমানের ‘মুক্তিযোদ্ধা খেতাব’ বাতিলের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন

জিয়াউর রহমানের ‘মুক্তিযোদ্ধা খেতাব’ বাতিলের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন

সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তকে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি চরম অবমাননা বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বুধবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এটা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত কি সেটা এখনো আমরা জানি না। যদি সরকারের এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে এটা হবে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের চরম অবমাননার শামিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ শেষ রাতে ক্যান্টনমেন্ট থেকে রিভোল্ট করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন এটা সকলেই জানেন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। স্বাধীনতার পরে মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে সর্বোচ্চ খেতাব (বীর উত্তম) পেয়েছেন তিনি। আর এখন স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে যদি সরকার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে এটা হবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন। এ ধরনের সিদ্ধান্ত এদেশের জনগণ গ্রহণ করবে না। জনগণের মনে ও জাতির ইতিহাসে শহীদ জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের অবদান কেউ খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।

উল্লেখ, গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় জিয়াউর রহমানসহ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও মৃত্যুদ-প্রাপ্ত পলাতক আসামি শরিফুল হক ডালিম, নুর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন খানের বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্তগুলো সুপারিশ আকারে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর গেজেট বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এমজে/