আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতে জঙ্গি নাটক করছে সরকার: বিএনপি মহাসচিব

আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতে জঙ্গি নাটক করছে সরকার: বিএনপি মহাসচিব

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শুরু হয়ে গেছে আওয়ামী লীগের বাধা দেয়া। তারা সমাবেশের স্থান দেয়নি এখনও। পল্টনে সমাবেশ করার কথা বলা হয়ছে। ডিএমপির প্রতি আহ্বান কোনও ঝামেলা না করে স্থানের অনুমতি দেয়া। এটার দায়িত্ব সরকারেরই।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ অনেক পুরোনো রাজনৈতিক দল। তাদের জনভিত্তি আছে। কিন্তু ক্ষমতায় থাকার লালসায় তারা এখন দেউলিয়া হয়ে গেছে। সরকার পতনের আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতেই আগুন সন্ত্রাস আর জঙ্গি নাটক করছে ক্ষমতাসীনরা।

তিনি বলেন, নতুন করে গায়েবি মামলা শুরু করেছে। ককটেল ফাটানোর কথা বললেও যে ঘটনা কেউ শোনেনি, দেখেনি তা নিয়ে অভিযোগ দিচ্ছে। পুরোনো নাটক শুরু করেছে সরকার। যেন বিএনপি তা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। অন্যদিকে সরকার নিজের কাজ করে যেতে পারে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে সরকার। আওয়ামী লীগ জাতির জন্য বোঝা হয়ে গেছে। তাদের সরাতে না পারলে সবাই ডুবে যাবে। সরকার হটাতে জনগণের ঐক্যের মধ্য দিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সরকারকে সরে যেতে হবে। নতুন নির্বাচন দিতে হবে। কোনও দলীয় সরকার নয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। এর আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।

একই অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জনগণ এ সরকারকে আজ দেখতে চায় না। এক দফা এক দাবি সরকারের বিদায়। রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিও জোরালো। ঢাকায় মহাসমাবেশ জনগণ গণ-অভ্যুত্থানের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। মানুষ জেগে উঠেছে।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুধের সাগর বয়ে যাবে আমি তা মনে করি না। তবে সবাইকে নিয়ে রাষ্ট্রকে সংস্কার করতে হবে। জনগনকে উস্কাতে চাই। মানুষ এখনো দেউলিয়াত্ব দেখেনি। যদি একবার জনগণ জেগে উঠে, সবাই গণভবনের উদ্দেশে রওনা হবে।